“সঙ্কোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান,
সঙ্কটের কল্পনাতে হোয়ো না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত করো ভয়,
আপনা-মাঝে শক্তি ধরো, নিজেরে করো জয়” (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
যে মুক্তি আমরা চেয়েছিলাম আজ স্বাধীনতার ৪২ বছর পরে এসে আমরা আবার এমন ভাবে একত্রিত হবো ভাবিনি, শাহাবাগের তরুণ বন্ধুদের তাই ধন্যবাদ।
বাংলাদেশ নামের এই ভূখণ্ডের দিক নিশানা আজ আমাদের ঠিক করা উচিৎ কোনদিকে আমরা যাবো, যে চেতনা নিয়ে আমরা যুদ্ধ করে ছিলাম সেই মুক্ত চেতনার আধুনিক শোষণ মুক্ত সমাজ নাকি চেতনা বিবর্জিত প্রতিক্রিয়াশীল সমাজ।
আমরা চাই বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দল মানেই মুক্তি যুদ্ধের পক্ষের শক্তি, সরকারে যারা থাকবে তারা যেমন মুক্তি যুদ্ধের পক্ষের শক্তি পাশাপাশি বিরোধী দলে যারা থাকবে তারাও মুক্তি যুদ্ধের পক্ষের শক্তি।
আমরা মুক্তি চেয়েছিলাম শোষণ-হীন সমাজ থেকে, মুক্তি ছেয়েছিলাম ধর্ম ভিত্তিক পাকিস্তানি স্বৈর-তান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা থেকে। আর এ মুক্তির সংগ্রাম ছিল রাজনৈতিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক।
যে মীমাংসা আমরা স্বাধীনতার পরে এসে করতে পারিনি সেই মীমাংসা হওয়াটা আজ খুব জরুরি। আর এ মীমাংসা করার জন্য আমাদের অবশই স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যারা বিরোধিতা করেছিল সেই সব যুদ্ধ অপরাধী এবং মানবতা বিরোধী অপরাধীর বিচার করাটা প্রথম কাজ। এবং প্রথম কাজটা প্রথমেই করা উচিৎ।
বাংলাদেশের মানুষ সংকীর্ণ মানসিকতার দাসত্ব থেকে মুক্ত হোক গড়ে তুলক ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে বৈষম্যহীন এক আধুনিক দেশ।
তরুণ প্রজন্ম চাইলেই এটা পারে।।
২৪শে ফেব্রুয়ারী ২০১৩
সঙ্কটের কল্পনাতে হোয়ো না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত করো ভয়,
আপনা-মাঝে শক্তি ধরো, নিজেরে করো জয়” (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
যে মুক্তি আমরা চেয়েছিলাম আজ স্বাধীনতার ৪২ বছর পরে এসে আমরা আবার এমন ভাবে একত্রিত হবো ভাবিনি, শাহাবাগের তরুণ বন্ধুদের তাই ধন্যবাদ।
বাংলাদেশ নামের এই ভূখণ্ডের দিক নিশানা আজ আমাদের ঠিক করা উচিৎ কোনদিকে আমরা যাবো, যে চেতনা নিয়ে আমরা যুদ্ধ করে ছিলাম সেই মুক্ত চেতনার আধুনিক শোষণ মুক্ত সমাজ নাকি চেতনা বিবর্জিত প্রতিক্রিয়াশীল সমাজ।
আমরা চাই বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দল মানেই মুক্তি যুদ্ধের পক্ষের শক্তি, সরকারে যারা থাকবে তারা যেমন মুক্তি যুদ্ধের পক্ষের শক্তি পাশাপাশি বিরোধী দলে যারা থাকবে তারাও মুক্তি যুদ্ধের পক্ষের শক্তি।
আমরা মুক্তি চেয়েছিলাম শোষণ-হীন সমাজ থেকে, মুক্তি ছেয়েছিলাম ধর্ম ভিত্তিক পাকিস্তানি স্বৈর-তান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা থেকে। আর এ মুক্তির সংগ্রাম ছিল রাজনৈতিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক।
যে মীমাংসা আমরা স্বাধীনতার পরে এসে করতে পারিনি সেই মীমাংসা হওয়াটা আজ খুব জরুরি। আর এ মীমাংসা করার জন্য আমাদের অবশই স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যারা বিরোধিতা করেছিল সেই সব যুদ্ধ অপরাধী এবং মানবতা বিরোধী অপরাধীর বিচার করাটা প্রথম কাজ। এবং প্রথম কাজটা প্রথমেই করা উচিৎ।
বাংলাদেশের মানুষ সংকীর্ণ মানসিকতার দাসত্ব থেকে মুক্ত হোক গড়ে তুলক ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে বৈষম্যহীন এক আধুনিক দেশ।
তরুণ প্রজন্ম চাইলেই এটা পারে।।
২৪শে ফেব্রুয়ারী ২০১৩
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন