দেরিতে হলেও ধন্যবাদ ডঃ ইউনুস কে তাঁর নোবেল বিজয়ের জন্য। কিন্তু আমি আসলে
ঐ দলে নই যিনি আদতেই বিশ্বাস করেন যে ক্ষুদ্র ঋণের মাধ্যমে দারিদ্র্য
বিমোচন সম্ভব। বোধ করি এ কারণেই উচ্ছ্বাসটা কমছিল। প্রত্যেক তত্ত্বেরই
কিছু মন্দের ভাল থাকে। আজ যে গ্রামের প্রান্তিক মহিলারা আত্মনির্ভরতার জন্য
ধর্মীয় গোঁড়ামি উপেক্ষা করে ঘরের বাইরে এসে সংগ্রাম করছেন তা হয়তো এন,
জি্, ও গুলোর দীর
্ঘ কাজের মন্দের ভাল।
বাংলাদেশের একটি সাধারণ সমস্যা আইন না মানা, আর আইন ভঙ্গকারী যদি ক্ষমতাবান কেউ হন তাহলে তো আইন ই পরিবর্তন হয়ে যায়। স্কুল জীবনে অনেকেই আমরা ইংরেজি গ্রামার বইতে একটা বাণী পড়ে ছিলাম যে, আইন গরিব মানুষ কে পিষে মারে আর বড়লোক এই আইন তৈরি করে। Laws grind the poor, and rich men rule the law. (Oliver Goldsmith) তাই ক্ষমতাবানরা সবসময়ই একটু আইন অমান্য করে চলতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, তখন যদি আইন মানার পরামর্শ দেওয়া হয় তা নিশ্চয়ই দোষের কিছু নয়। সে কারণেই সরকার বোধ হয় ডঃ ইউনুসকে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে সোরে দাড়াতে পরামর্শ দেন, যদিও মারা জানি আইন নামান অনেক প্রতিষ্ঠান ই বহাল তবিয়তেই চলছে, কিন্তু প্রথমেই ডঃ ইউনুস কেন? উত্তরটাও আমরা জানি, তাঁর অন এলেভেন এর সময় রাজনৈতিক ভূমিকা, এটা হয়তো সবাই জানেন কিন্তু আমাকে ভাবিত করে অন্য একটি বিষয়, বাংলাদেশের কোন একটি ক্রান্তি কালেও কি ডঃ ইউনুস পাশে দাড়িয়ে ছিলেন ? তাঁর যেকোনো আবিষ্কারের পর তিনি প্রথমেই ছুটে যান বিদেশী ক্ষমতাবানদের কাছে। অদ্ভুত তাঁর এই নীতি। ......।। হে বঙ্গ, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন;-
তা সবে, (অবোধ আমি!) অবহেলা করি,
পর-ধন-লোভে মত্ত, করিনু ভ্রমণ
পরদেশে, ভিক্ষাবৃত্তি কুক্ষণে আচরি।
কাটাইনু বহু দিন সুখ পরিহরি।
অনিদ্রায়, নিরাহারে সঁপি কায়, মনঃ,
মজিনু বিফল তপে অবরেণ্যে বরি;-
কেলিনু শৈবালে; ভুলি কমল-কানন!
স্বপ্নে তব কুললক্ষ্মী কয়ে দিলা পরে-
``ওরে বাছা, মাতৃকোষে রতনের রাজি,
এ ভিখারী-দশা তবে কেন তোর আজি? (মাইকেল মধুসুদন দত্ত)।
বাংলাদেশের একটি সাধারণ সমস্যা আইন না মানা, আর আইন ভঙ্গকারী যদি ক্ষমতাবান কেউ হন তাহলে তো আইন ই পরিবর্তন হয়ে যায়। স্কুল জীবনে অনেকেই আমরা ইংরেজি গ্রামার বইতে একটা বাণী পড়ে ছিলাম যে, আইন গরিব মানুষ কে পিষে মারে আর বড়লোক এই আইন তৈরি করে। Laws grind the poor, and rich men rule the law. (Oliver Goldsmith) তাই ক্ষমতাবানরা সবসময়ই একটু আইন অমান্য করে চলতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, তখন যদি আইন মানার পরামর্শ দেওয়া হয় তা নিশ্চয়ই দোষের কিছু নয়। সে কারণেই সরকার বোধ হয় ডঃ ইউনুসকে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে সোরে দাড়াতে পরামর্শ দেন, যদিও মারা জানি আইন নামান অনেক প্রতিষ্ঠান ই বহাল তবিয়তেই চলছে, কিন্তু প্রথমেই ডঃ ইউনুস কেন? উত্তরটাও আমরা জানি, তাঁর অন এলেভেন এর সময় রাজনৈতিক ভূমিকা, এটা হয়তো সবাই জানেন কিন্তু আমাকে ভাবিত করে অন্য একটি বিষয়, বাংলাদেশের কোন একটি ক্রান্তি কালেও কি ডঃ ইউনুস পাশে দাড়িয়ে ছিলেন ? তাঁর যেকোনো আবিষ্কারের পর তিনি প্রথমেই ছুটে যান বিদেশী ক্ষমতাবানদের কাছে। অদ্ভুত তাঁর এই নীতি। ......।। হে বঙ্গ, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন;-
তা সবে, (অবোধ আমি!) অবহেলা করি,
পর-ধন-লোভে মত্ত, করিনু ভ্রমণ
পরদেশে, ভিক্ষাবৃত্তি কুক্ষণে আচরি।
কাটাইনু বহু দিন সুখ পরিহরি।
অনিদ্রায়, নিরাহারে সঁপি কায়, মনঃ,
মজিনু বিফল তপে অবরেণ্যে বরি;-
কেলিনু শৈবালে; ভুলি কমল-কানন!
স্বপ্নে তব কুললক্ষ্মী কয়ে দিলা পরে-
``ওরে বাছা, মাতৃকোষে রতনের রাজি,
এ ভিখারী-দশা তবে কেন তোর আজি? (মাইকেল মধুসুদন দত্ত)।
২৭শে অগাস্ট, ২০১২
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন